কুষ্টিয়ায় স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও তদন্তের দাবি
কুষ্টিয়া,২৫ অক্টোবর ২০২৫।। কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসের অধীনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে কুষ্টিয়ায় যেভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। এটি শুধু মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি অন্যায় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্টের একটি জঘন্য উদাহরণ।
তিনি আরও বলেন, ৫ই আগস্টে ফ্যাসিস্ট হাসিনা পলায়নের পর—নতুন বাংলাদেশে এমন অপকর্মের কোনো সুযোগ নেই; এগুলো কঠোরভাবে দমন করতে হবে। পরীক্ষার আগের রাতে সরকারি কর্মকর্তার বাসায় কিছু প্রার্থীদের ডেকে প্রশ্ন দেখানো এবং পরদিন সেই প্রশ্ন দিয়েই পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয় যাই হোক না কেন—তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া জরুরী ।
অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম এখন বেকারত্ব ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্য এভাবে পদ দলিত হলে সমাজে অন্যায় ও দুর্নীতির প্রভাব আরও বিস্তৃত হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হোক এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন করে স্বচ্ছ ও ন্যায্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হোক।
শেষে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে। এই ধরনের দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা নৈতিকভাবে সোচ্চার থাকব ইনশাআল্লাহ।
অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কুষ্টিয়া জেলা শাখা।





















