আলী হোসেনঃ কুষ্টিয়া -৪ ( কুমারখালী – খোকসা ) আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনছার প্রামানিকের সমর্থকরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে।

৩ ই নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের দপ্তর থেকে ২৩৭ টা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। যারমধ্যে ৭৮ কুষ্টিয়া -৪ ( কুমারখালী – খোকসা ) আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীকে।
৩ নভেম্বর সোমবার মনোনয়ন ঘোষনার পরপরই এ-ই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশি সাবেক পৌর মেয়র, উপজেলা বিএনপির সভাপতি, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ নূরুল ইসলাম আনছারের সমর্থকরা কুমারখালীর পৌর শহরের হল বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ঘোষিত মনোনয়ন বাতিল দাবীতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।
৪ ই নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধায় আবারও একই দাবীতে বিক্ষোভ শুরু করে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিল বের করা হয় । মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে হল বাজারে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ-ই বিষয়ে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কেএম সৈকত সরোয়ার জনি বলেছেন, কুষ্টিয়া -৪ আসনে দলের ত্যাগি নেতা আনছার প্রামানিক। তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া মানে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করা। জনি এসময় আরো বলেন, আমরা চাই আলহাজ্ব নরুল ইসলাম আনছার এ-ই আসনে মনোনয়ন পাক। তাকে হাইকমান্ড মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে ধানের শীষ জয়লাভ করবে।
আলহাজ্ব নরুল ইসলাম আনছার প্রামানিকের ছেলে অ্যাডঃ জাকারিয়া আনছার মিলন, সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা যুবদলের নেতা। তার নেতৃত্বে কুমারখালী উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদল সুসংগঠিত। দলের আনছার প্রামানিকের সমর্থকরা মনে করেন, আনছার প্রামানিক মনোনয়ন পেলে দলের তিন তারুণ্য সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল জাকারিয়া আনছার মিলনের নেতৃত্বে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করবে এবং বিপুল জয়লাভ করবে।


















