
গতকাল রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে দুই জন নারী সহ ধরা পড়েছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (কুষ্টিয়া) নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাশিদুর রহমান বাপ্পি।
অনুসন্ধানে জানা যায় নির্বাহী প্রকৌশলী বাপ্পির সরকারী বাস ভবনে দুই জন নারীকে নিয়ে রাত ১১ টার দিকে বাসভবনের গার্ড প্রশান্ত প্রবেশ করেন, বিষয়টি স্থানীয়দের দৃষ্টিতে এলে তারা বাস ভবনটি ঘেরাও করেন।
এর পর দুই জন মেয়েকে পাওয়া যায় তার বাস ভবনের ভিতরে।
উল্লেখ্য, নির্বাহী প্রকৌশলী মো:রাশিদুর রহমান বাপ্পির গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়, তার স্ত্রী একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক।
স্ত্রী কাছে না থাকার কারনে প্রায় বাহিরের মহিলা নিয়ে ফূর্তি করেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাশিদুর রহনান বাপ্পি।
আর তাকে নারী সাপ্লাই দিয়ে থাকেন আউটসোর্সিংয়ের পিওন আব্দুল্লাহ এবং প্রশান্ত।
গতকাল দুইজন মেয়েকে তার বাস ভবনে পাওয়ার পরে সে নিজের মামাতো বোন পরিচয় দিয়েছেন এবং সাংবাদিকদের একটা অংশকে ১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে রাতেই মেয়ে দুটোকে তার পিওন প্রশান্তের মাধ্যমে নিরাপদে পালানোর ব্যবস্থা করেছেন।
অনুসন্ধানে জিকে অফিস (পানি উন্নয়ন বোর্ড) এর একাধিক কর্মকর্তা /কর্মচারী জানান যে,নির্বাহী প্রকৌশলীর চরিত্র ভালো না, এমনকি সে অফিস ষ্টাফ দেরকে ও ছাড়েনি।
জুলিয়া নামের একজন হিসাব সহকারীর সাথে তার শারীরিক মেলামেশার কথা এখন ওপেন সিক্রেট।
সাধারণ কর্মকর্তা /কর্মচারীরা মনে করেন,লম্পট রাশিদুর রহমান বাপ্পি
এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।


















