আলী হোসাইন, কুষ্টিয়াঃ জুলাই বিপ্লবী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গুলিতে শাহাদত বরন করেন। যার কারনে দেশব্যাপী গণবিক্ষোভ ও গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি দেওয়া হয়।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গায়েবানা জানাজা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ ই ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈদগাঁ ময়দানে হাজারো মুসল্লীদের উপস্থিতিতে গায়েবানা জানাজা শুরু হয়।
গায়েবানা জানাজা শেষে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্রসমাজের ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ডে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে এসময় বক্তৃতা করেন, ব্যাবসায়িক নেতা ও সাংস্কৃতিক কর্মী কে এম আলম টমে, সাবেক ছাত্রনেতা হাফেজ আলী হাসান সাদ্দাম, সমাজসেবক কামাল হোসেন, আইনজীবী আবুল হাসেম বাদশা, সাবেক ছাত্র নেতা শাহাদাৎ হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র মাশরাফুল ইসলাম তিহা, জুলাই বিপ্লবী আশিকুর রহমান, রিপন হোসেন, আল-আমীন হোসেন আকাশ ও নয়ন হোসেন রবিন, আমীর হামজা।
সমাবেশে এসময় বক্তৃতারা বলেন, ওসমান হাদি বেঁচে থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছে, আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়েছেন, গনতন্ত্র ও দেশীও সাংস্কৃতির জন্য লড়েছেন। ওসমান হাদি এখন শাহাদত বরন করেছেন কিন্তু মরেননি, তিনি জীবিত আছেন কিন্তু আমরা তা বুঝতে পারছিনা। ওসমান হাদির ইনকিলাব চলছে, চলবে।
এসময় বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ভারত থেকে এনে কঠিন বিচার করতে হবে। ভবিষ্যতে আর কোন বিপ্লবী যেন আততায়ীদের হাতে নিহত না হয় সে-ই পদক্ষেপ ইন্টিরিম গভমেন্ট কে নিতে হবে।
সমাবেশের এসময় ঝড়ো বক্তব্য আর উত্তপ্ত শ্লোগানে পুরো বাসস্ট্যান্ড এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। রাস্তার দু’ধারে সাধারণ জনতা দাঁড়িয়ে ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে হাত উঁচিয়ে সমর্থন দেন।



















