গাইবান্ধার বল্লমঝাড়ে রঘুনাথপুর মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ফেসিষ্ট আ’লীগ কর্মী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ!মাহিনর ইসলাম। গাইবান্ধা:গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়স্থ রঘুনাথপুর মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও পতিত ফেসিষ্ট আ’লীগ কর্মী মোঃ লিছু মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক, অনিয়ম, দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগে জানা যায়, উক্ত বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ লিচু মিয়া আ’লীগের একনিষ্ঠ সমর্থক বা কর্মী হিসেবে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দুই বছর আগে যোগদান করেন। তিনি যোগদানের পর থেকে উক্ত পদের বিপরীতে প্রদানকৃত উৎকোচের টাকা উত্তোলনের জন্য একের পর এক ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। তিনি গত ফেসিষ্ট আ’লীগের সময়ে দলীয় কর্মী হিসেবে উক্ত বিদ্যালয়ে আ’লীগের গাইবান্ধা জেলার জনৈক নেতার সহযোগিতায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি তৎকালীন সময়ে আ’লীগের উপজেলা পর্যায়ের একজন লিডার হিসেবে অফিস ফাঁকি দিয়ে দাম্ভিকতার সাথে বিদ্যালয় পরিচালনা করতেন। সেই সময়ে দলীয় প্রভাবের কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস পায়নি। কিন্তু ফেসিষ্ট আ’লীগের পতনের পরও বিদ্যালয়ে এখন তিনি লেবাস পাল্টিয়ে নিজেকে জামায়াত কর্মী/লিডার দাবি করে একই কায়দায় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।এদিকে সম্প্রতি তিনি পতিত ফেসিষ্ট আওয়ামী পন্থী বংক কুমার পাল নামের শরীরচর্চা বিভাগের একজন সহকারী শিক্ষক, যার ইনডেক্স নম্বর ১১৫০৫০৮ কে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা কমিটির মিটিং না করেই বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত না করে দু’দফায় দেড় মাসাধিক কাল ছুটি প্রদান করেন। সুত্র জানায়, ২৭ অক্টোবর’ ২০২৫ ইং তারিখে উল্লেখিত সহকারী শিক্ষক বংক কুমার পাল উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ভারত গমনে অনুমতি দানের অজুহাত দেখিয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মিটিং এ উপস্থাপন করে রেজুলেশনের মাধ্যমে ছুটি অনুমোদনের নিয়ম থাকলেও ওই দিনই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ লিচু মিয়া নিজের ক্ষমতা বলে তাকে ত্রিশ দিনের ছুটি মঞ্জুর করেন। এর আগেও তিনি একই কায়দায় একই ভাবে তাকে ১৫ দিন ছুটি মঞ্জুর করেন।সুত্র আরো জানায়, সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্তৃক নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কোন নির্দেশনা না দিলেও তিনি নিজের ইচ্ছামত উল্লেখিত ৯০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ইতোমধ্যে ৪০ জনের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪’শ টাকা হারে আদায় করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।এ বিষয়ে সম্প্রতি এক প্রশ্নের উত্তরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ লিচু মিয়া বলেন আমি নিজেই ছুটি মঞ্জুর করেছি, তাতে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়েছে! ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, ছুটির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। গাইবান্ধা জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, এইভাবে প্রধান শিক্ষকের ছুটি মঞ্জুর করার কোন নিয়ম নেই। যদি করে থাকেন তাহলে তিনি এটা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। গাইবান্ধা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, প্রধান শিক্ষকের ছুটি মঞ্জুরের এখতিয়ার নেই। ছুটি মঞ্জুর করা সভাপতির এখতিয়ার ভুক্ত।




















